অ্যাডমিন প্যানেল চালানোর গাইড

অর্ডার কনফার্ম, কুরিয়ারে পাঠানো, লেবেল প্রিন্ট, QR পেমেন্ট মেলানো, ল্যান্ডিং পেজ, প্রোডাক্ট, রিপোর্ট — প্রতিটা কাজ ছোট ভিডিওতে, বাংলা ভয়েস আর লেখাসহ।

▶ পুরো গাইড একসাথেনির্দিষ্ট কাজ খুঁজতে নিচের তালিকা দেখুন

প্রতিদিনের কাজের ধারা

  1. নতুন অর্ডার খুলে কুরিয়ারে ক্রেতার আগের রেকর্ড দেখুন, কল করে কনফার্ম করুন
  2. QR-এ টাকা দেওয়া অর্ডারে TrxID মিলিয়ে "পেমেন্ট মিলেছে" চাপুন
  3. কনফার্ম করা অর্ডার টিক দিয়ে Steadfast বা Pathao-তে পাঠান
  4. সেগুলোই টিক দিয়ে "লেবেল প্রিন্ট" — কেটে প্যাকেটে লাগান
  5. ডেলিভারি আর ফেরত নিজে থেকে অর্ডারে বসে যায়

১. লগইন ও দুই ধাপের নিরাপত্তা

অ্যাডমিন প্যানেলে ঢোকা · ২৭ সেকেন্ড

  1. ব্রাউজারে আপনার সাইটের ঠিকানার পরে স্ল্যাশ ম্যানেজ লিখে খুলুন।
  2. ইমেইল আর পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন চাপুন।
  3. এরপর ফোনের গুগল অথেনটিকেটর অ্যাপে যে ছয় সংখ্যার কোড দেখায়, সেটা দিন।
  4. প্রথমবার একটা কিউআর কোড আসবে। অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে নেবেন, আর রিকভারি কোডগুলো লিখে রাখবেন।
  5. পাসওয়ার্ড বদলাতে, উপরে ডান দিকে নিজের নামে চাপুন, তারপর প্রোফাইল।

২. ড্যাশবোর্ড

এক নজরে দোকান · ৩৩ সেকেন্ড

  1. উপরে শর্টকাট: অর্ডার, নতুন প্রোডাক্ট, আর সাইট দেখা।
  2. এখানে আজকের অর্ডার, কয়টা কনফার্ম, কয়টা বাতিল।
  3. পাশে আজকের আর এই মাসের বিক্রি।
  4. তারপর এই মাসের লাভ। প্রোডাক্টে কেনা দাম বসালে লাভের হিসাব ঠিক আসে।
  5. কনফার্মের অপেক্ষায় থাকা অর্ডার, এগুলোতে আগে কল করবেন।
  6. কুরিয়ারে কয়টা আছে, কয়টা ডেলিভারি হলো, কয়টা ফেরত এলো।
  7. ঝুঁকিপূর্ণ অর্ডার, আর যেসব প্রোডাক্টের স্টক কমে গেছে।
  8. গ্রাফে গত তিরিশ দিনের বিক্রি আর লাভ। নিচে সর্বশেষ অর্ডার।

৩. অর্ডারের তালিকা

খোঁজা, ছাঁকা, ট্যাব · ৫৬ সেকেন্ড

  1. বাঁ দিকের মেনুতে সোল্ড, তারপর অর্ডার্স। নতুন অর্ডার সবার উপরে থাকে।
  2. উপরের ট্যাবগুলো দিয়ে আলাদা করে দেখুন: সব, নতুন, কনফার্মড, প্রসেসিং, শিপড, ডেলিভার্ড, ক্যানসেলড, রিটার্নড।
  3. প্রতিটা ট্যাবের পাশে সংখ্যা লেখা থাকে, কয়টা অর্ডার আছে।
  4. সার্চ বক্সে নাম, ফোন নম্বর বা অর্ডার নম্বর লিখে খুঁজুন।
  5. ফিল্টার বাটনে চাপলে তারিখ বেছে নিতে পারবেন: আজ, গতকাল, গত সাত দিন, এই মাস।
  6. অর্ডার কোথা থেকে এসেছে, সাইট নাকি ল্যান্ডিং পেজ, সেটা দিয়েও ছাঁকা যায়।
  7. শুধু ঝুঁকিপূর্ণ অর্ডার দেখতে চাইলে ঝুঁকিপূর্ণ ফিল্টার চালু করুন।
  8. তালিকায় প্রতিটা অর্ডারের ক্রেতা, জেলা, কয়টা প্রোডাক্ট, মোট টাকা আর ঝুঁকির রং দেখায়।
  9. সারির শেষে তিন ডটে চাপলে কল, হোয়াটসঅ্যাপ, আর ব্ল্যাকলিস্ট।
  10. ব্ল্যাকলিস্ট করলে ওই নম্বর থেকে আর অর্ডার আসবে না।
  11. মুছে ফেলা অর্ডার ট্র্যাশ ট্যাবে থাকে, চাইলে ফিরিয়ে আনা যায়।

৪. অর্ডারের ভেতরে

ক্রেতা, কুরিয়ার রেকর্ড, স্ট্যাটাস · ৬২ সেকেন্ড

  1. অর্ডারে চাপলে পুরো তথ্য খোলে। বাঁ পাশে ক্রেতার নাম, ফোন, জেলা আর পুরো ঠিকানা।
  2. পাশে কী কী প্রোডাক্ট, কয়টা, আর দাম।
  3. নিচে হিসাব: সাবটোটাল, ডেলিভারি চার্জ, কুপন ছাড়, মোট টাকা, আর পেমেন্ট কীভাবে।
  4. এই বাক্সে কুরিয়ারে ক্রেতার আগের রেকর্ড। স্টেডফাস্ট আর পাঠাও থেকে নিজে নিজেই আসে।
  5. সবুজ মানে ভালো ক্রেতা, হলুদ মানে সাবধানে, লাল মানে ঝুঁকিপূর্ণ, আর নতুন মানে আগে কোনো পার্সেল নেই।
  6. রেকর্ড আবার দেখুন চাপলে কুরিয়ার থেকে নতুন করে তথ্য আনে।
  7. ঝুঁকি যাচাই অংশে দেখায় অর্ডারটা সন্দেহজনক কিনা, যেমন খুব দ্রুত ফর্ম পূরণ, বা একই নম্বরে বারবার অর্ডার।
  8. উপরে কল করুন আর হোয়াটসঅ্যাপ, এক চাপেই ক্রেতার সাথে কথা।
  9. তথ্য ঠিক করুন বাটনে ক্রেতার ভুল নাম, ফোন বা ঠিকানা ঠিক করা যায়, আর নিজেদের জন্য নোটও রাখা যায়।
  10. স্ট্যাটাস বদলান বাটনে নতুন অবস্থা বেছে সাবমিট চাপুন। কনফার্ম করলে ক্রেতার ফোনে নিজে থেকেই এসএমএস চলে যায়।
  11. প্রিন্ট ইনভয়েস চাপলে ইনভয়েস খোলে, প্রিন্ট বা পিডিএফ করা যায়।

৫. একসাথে অনেক অর্ডার

কনফার্ম, বাতিল, এক্সপোর্ট · ৩০ সেকেন্ড

  1. তালিকায় বাঁ পাশের চেকবক্সে টিক দিয়ে অর্ডার বাছুন। একদম উপরের বক্সে টিক দিলে পাতার সব অর্ডার বাছাই হয়।
  2. তারপর বাল্ক অ্যাকশনস বাটন।
  3. কনফার্ম চাপলে বাছাই করা সব অর্ডার একসাথে কনফার্ম হয়।
  4. বাতিল করুন চাপলে সবগুলো বাতিল।
  5. স্ট্যাটাস বদলান দিয়ে সবগুলোর অবস্থা একসাথে বদলানো যায়।
  6. এক্সপোর্ট সিএসভি বা এক্সপোর্ট এক্সেল চাপলে অর্ডারগুলোর একটা ফাইল নামে, হিসাব রাখার জন্য।

৬. কুরিয়ারে পাঠানো নতুন

Steadfast · Pathao · কুরিয়ার শিট · ৫০ সেকেন্ড

  1. একটা অর্ডার পাঠাতে, অর্ডারের পাতায় উপরে স্টেডফাস্টে পাঠান, বা পাঠাওতে পাঠান চাপুন।
  2. নিশ্চিত করলে অর্ডারটা কুরিয়ারে বুক হয়ে যায়, আর কুরিয়ারের নম্বর অর্ডারে বসে যায়।
  3. একসাথে অনেক অর্ডার পাঠাতে, তালিকায় টিক দিয়ে বাল্ক অ্যাকশনসে স্টেডফাস্টে পাঠান বা পাঠাওতে পাঠান।
  4. একবার পাঠানো অর্ডার আবার পাঠানো যায় না, তাই ভুল করে দুবার বুক হওয়ার ভয় নেই।
  5. কেউ যদি কুরিয়ারের পোর্টালে ফাইল আপলোড করে বুক করতে চান, তার জন্য আছে স্টেডফাস্ট এক্সেল।
  6. অর্ডার টিক দিয়ে স্টেডফাস্ট এক্সেল চাপলে কুরিয়ার শিট নামে, সরাসরি স্টেডফাস্টের পোর্টালে আপলোড করা যায়।
  7. বুক হওয়া অর্ডারে কুরিয়ারের নম্বরে চাপলে ট্র্যাকিং পাতা খোলে।
  8. প্রতি ঘণ্টায় সাইট নিজেই কুরিয়ার থেকে খবর আনে। ডেলিভারি হলে অর্ডার ডেলিভার্ড হয়, ফেরত এলে রিটার্নড।

৭. পার্সেলের লেবেল প্রিন্ট নতুন

সাধারণ A4 কাগজে, বারকোডসহ · ৩৬ সেকেন্ড

  1. কুরিয়ারে বুক হওয়া অর্ডারগুলো টিক দিন, তারপর বাল্ক অ্যাকশনসে লেবেল প্রিন্ট।
  2. একটা অর্ডারের লেবেল চাইলে অর্ডারের পাতার উপরে লেবেল প্রিন্ট বাটন।
  3. নতুন ট্যাবে লেবেলের পাতা খোলে। সাধারণ এ ফোর কাগজে এক পাতায় ছয়টা লেবেল।
  4. প্রতিটা লেবেলে কুরিয়ারের নাম, বড় করে কুরিয়ারের নম্বর আর বারকোড।
  5. কত টাকা তুলতে হবে, আগে টাকা দেওয়া থাকলে পরিশোধিত লেখা।
  6. ক্রেতার নাম, ফোন, ঠিকানা, আর প্যাকেটের ভেতরে কী আছে।
  7. প্রিন্ট করুন চাপুন, দাগ বরাবর কেটে প্যাকেটে লাগিয়ে দিন। রাইডার বারকোড স্ক্যান করে পার্সেল তুলে নেয়।

৮. QR পেমেন্ট ও অগ্রিম নতুন

bKash, Nagad, Rocket, ব্যাংক · ৪০ সেকেন্ড

  1. ক্রেতা চেকআউটে কিউআর স্ক্যান করে বিকাশ, নগদ, রকেট বা যেকোনো ব্যাংক অ্যাপ দিয়ে টাকা পাঠান, আর ট্রানজেকশন আইডি লিখে অর্ডার করেন।
  2. এমন অর্ডারের তালিকায় টাকার নিচে লেখা থাকে, কিউআর যাচাই বাকি।
  3. অর্ডার খুললে ট্রানজেকশন আইডি, কোন নম্বর থেকে পাঠিয়েছেন, আর কত টাকা, সব দেখা যায়।
  4. নিজের অ্যাপে মিলিয়ে দেখুন টাকাটা এসেছে কিনা।
  5. মিললে পেমেন্ট মিলেছে চাপুন। অর্ডার পরিশোধিত হয়, আর নিজে থেকে কনফার্ম হয়ে যায়।
  6. না মিললে মেলেনি চাপুন। অর্ডারটা ক্যাশ অন ডেলিভারি হয়ে যায়।
  7. কিছু টাকা অগ্রিম নেওয়া অর্ডারে দেখায় কত অগ্রিম এসেছে, আর কুরিয়ার বাকি কত টাকা তুলবে।

৯. ল্যান্ডিং পেজ নতুন

অফার পেজ বানানো থেকে অর্ডার — ১০ ধাপ · ১২৭ সেকেন্ড

  1. মেনুতে সোল্ড, তারপর ল্যান্ডিং পেজেস। এখানে সব পেজের তালিকা, কয়বার দেখা হয়েছে আর কয়টা অর্ডার এসেছে।
  2. উপরের ট্যাবে সব, ড্রাফট আর ট্র্যাশ।
  3. নতুন পেজ বানাতে নিউ ল্যান্ডিং পেজ চাপুন।
  4. প্রোডাক্টস ট্যাবে পেজের নাম আর ঠিকানা দিন, তারপর কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন তা বেছে নিন।
  5. অফার অংশে লিখুন, দুইটা নিলে কত টাকা, তিনটা নিলে কত। চাইলে ফ্রি ডেলিভারি চালু করুন।
  6. কুপনের ঘর দেখাবেন কিনা, সেটাও এখান থেকে।
  7. বিল্ড পেজ ট্যাবে পেজটা সাজান। ফিল ফ্রম প্রোডাক্টস চাপলে প্রোডাক্টের তথ্য দিয়ে দশটা ধাপ নিজে থেকে বসে যায়।
  8. এক, হেডলাইন। রঙিন বাক্সে বড় শিরোনাম।
  9. দুই, ছোট বর্ণনা। তিন, ছবির স্লাইডার, যেটা নিজে থেকে ঘোরে।
  10. চার, ফিচার ও সুবিধা, টিক চিহ্ন দেওয়া তালিকা। বাক্সের রং গোলাপি, কালো বা সাদা বেছে নেওয়া যায়।
  11. পাঁচ, সাব-হেডলাইন। ছয়, ভিডিও। ইউটিউব বা ফেসবুকের লিংক দিন, অথবা ভিডিও ফাইল আপলোড করুন।
  12. সাত, মাপ ও ম্যাটেরিয়াল, দরকার হলে। আট, কাস্টমার রিভিউ। রিভিউয়ের স্ক্রিনশট আর ভিডিও দুটোই দেওয়া যায়।
  13. নয়, দাম ও অফার, আর ডেলিভারি চার্জ, যেটা সেটিংস থেকে নিজে আসে। দশ, অর্ডার ফর্ম।
  14. এছাড়া আছে অফার ব্যানার, অর্ডার করতে চাই বাটন, আর কল করুন পট্টি।
  15. প্রতিটা অংশের নিচে টগল চালু করলে, ওই অংশের পরে অর্ডার করতে চাই বাটন বসে যায়।
  16. প্রতিটা অংশ টেনে উপর নিচে সাজানো যায়।
  17. প্রিভিউ ট্যাবে দেখে নিন পেজটা ক্রেতা কেমন দেখবেন।
  18. এসইও ট্যাবে গুগল আর ফেসবুকে শেয়ার করলে যে শিরোনাম আর লেখা দেখায়, সেটা।
  19. স্ট্যাটাস পাবলিশড করে সেভ চাপলে পেজ চালু হয়।
  20. তালিকা থেকে ডুপ্লিকেট চাপলে একই রকম আরেকটা পেজ তৈরি হয়, শুধু প্রোডাক্ট বদলে নিন।
  21. এক্সপোর্ট আর ইমপোর্ট দিয়ে পেজ ফাইলে রেখে পরে আবার আনা যায়।
  22. ক্রেতা পেজে ঢুকে নিচের ফর্মে নাম, ফোন আর ঠিকানা দিয়ে সরাসরি অর্ডার করেন।
  23. সেই অর্ডার অর্ডারের তালিকায় আসে, সোর্সে লেখা থাকে কোন ল্যান্ডিং পেজ থেকে।

১০. প্রোডাক্ট

দাম, স্টক, ছবি, রিভিউ · ৫০ সেকেন্ড

  1. ক্যাটালগ, তারপর প্রোডাক্টস। নতুন প্রোডাক্ট দিতে উপরে নিউ প্রোডাক্ট।
  2. পুরনো প্রোডাক্ট খুঁজতে সার্চে নাম লিখুন। তালিকা থেকেই সুইচ বন্ধ করে প্রোডাক্ট সাইট থেকে লুকানো যায়।
  3. প্রোডাক্টের পাতায় প্রথম ট্যাবে নাম, বিবরণ আর ছবি। প্রথম ছবিটা কভার হয়।
  4. প্রাইস অ্যান্ড স্টক ট্যাবে নিয়মিত দাম আর ছাড়ের দাম।
  5. কেনা দাম শুধু লাভের হিসাবের জন্য, ক্রেতা কখনো দেখেন না।
  6. কত দিন পর আবার লাগে, যেমন ডায়াপার তিরিশ দিন। ততদিন পর ক্রেতাকে নিজে থেকে মনে করিয়ে এসএমএস যায়।
  7. স্টক কত আছে, আর বেস্ট সেলিং চালু করলে হোমের বেস্ট সেলিং অংশে দেখায়।
  8. ক্যাটাগরি ট্যাবে প্রোডাক্টটা কোন ক্যাটাগরিতে থাকবে।
  9. রিভিউজ ট্যাবে অ্যাড আ রিভিউ চেপে নাম, স্টার, লেখা আর ছবি দেওয়া যায়।
  10. সব শেষে সেভ চেঞ্জেস চাপলেই সাইটে বদলে যায়।

১১. ক্যাটাগরি

মেনু সাজানো · ১৯ সেকেন্ড

  1. ক্যাটালগ, তারপর ক্যাটাগরিজ। এখানে যা বদলাবেন, মেনু আর হোম পেজ সেভাবেই সাজবে।
  2. এডিট চাপলে নাম বদলানো যায়।
  3. কোন ক্যাটাগরির ভেতরে থাকবে, সেটা বাছলে এটা সাব ক্যাটাগরি হয়ে যায়।
  4. অর্ডারের সংখ্যা দিয়ে ঠিক করুন মেনুতে কোনটা আগে বসবে।
  5. ছবি দিলে মেনু আর হোমের টাইলে সেই ছবি বসে।

১২. হোম পেজ, পপআপ, কুপন

সাইট সাজানো আর অফার · ৩৩ সেকেন্ড

  1. কনটেন্ট মেনুতে ফ্রন্ট পেজ ডিজাইন। এখানে উপরের চলমান লেখা, হিরো ভিডিও বা ব্যানার, আর হোমের অংশগুলো।
  2. বদলে উপরে সেভ চাপুন, তারপর ভিউ সাইট চেপে দেখে নিন।
  3. পপআপ অংশে সাইটে ঢুকলেই যে অফার আসে, তার লেখা, ছবি, বাটন, আর কত সেকেন্ড পরে আসবে।
  4. চালু বন্ধ করে দিলে পপআপ আর আসবে না।
  5. কুপনস অংশে নতুন কুপন বানান। কোড লিখুন, ছাড় টাকায় নাকি পার্সেন্টে, সর্বনিম্ন কত টাকার অর্ডার, আর শেষ তারিখ।

১৩. Affiliate প্রোগ্রাম নতুন

কমিশনে বিক্রি · ৩০ সেকেন্ড

  1. নিউ অ্যাফিলিয়েট চেপে নাম, ফোন আর কমিশন পার্সেন্ট দিন। কোড নিজেই তৈরি হয়।
  2. তালিকায় দেখায় লিংকে কয়টা ক্লিক, কয়টা অর্ডার, পাকা কমিশন, অপেক্ষায় থাকা কমিশন, আর কত পাওনা।
  3. প্যানেল লিংক চাপলে দুটো লিংক পাবেন: শেয়ার করার লিংক, আর তার নিজের হিসাবের পাতা। কপি করে তাকে পাঠান।
  4. অর্ডার ডেলিভারি হলে কমিশন পাকা হয়। টাকা দিয়ে দিলে পেমেন্ট দিন চাপুন, পাওনা থেকে কমে যায়।

১৪. বিক্রি ও লাভের রিপোর্ট নতুন

দিন আর প্রোডাক্ট অনুযায়ী · ২২ সেকেন্ড

  1. সোল্ড, তারপর সেলস রিপোর্ট। আজ, গত সাত দিন, এই মাস, অথবা নিজের পছন্দের তারিখ বেছে নিন।
  2. উপরে মোট অর্ডার, কয়টা প্রোডাক্ট বিক্রি, মোট বিক্রি, কেনা দাম আর লাভ।
  3. নিচে কোন প্রোডাক্ট কয়টা বিক্রি হলো, আর দিন অনুযায়ী হিসাব। বাতিল আর ফেরত অর্ডার এই হিসাবে ধরা হয় না।

১৫. সেটিংস, স্টাফ, অসম্পূর্ণ অর্ডার

ডেলিভারি চার্জ, চেকআউট, ইউজার · ৪২ সেকেন্ড

  1. সাইট সেটিংসের প্রথম ট্যাবে ঢাকার ভেতরে আর বাইরের ডেলিভারি চার্জ, আর কত টাকার উপরে ফ্রি ডেলিভারি।
  2. চেকআউট ফর্ম ট্যাবে অর্ডার ফর্মের লেখা আর কোন কোন ঘর দেখাবে।
  3. এখানে পেমেন্টের কিউআর ছবি আর নম্বর। ছবি সরিয়ে দিলে চেকআউট থেকে কিউআর অপশন সরে যায়।
  4. একটা কুপন বেছে দিলে প্রতিটা ইনভয়েসে পরের অর্ডারের ছাড়ের কোড লেখা আসে।
  5. ইউজার্স অংশে স্টাফ যোগ করুন। অ্যাডমিন সব দেখতে পারেন, অর্ডার ম্যানেজার শুধু অর্ডার।
  6. অ্যাবানডনড চেকআউটে আছেন যাঁরা ফোন নম্বর লিখেও অর্ডার শেষ করেননি। এঁদের কল দিলে অনেক অর্ডার ফিরে আসে।
  7. কিছু বুঝতে না পারলে স্ক্রিনশট দিয়ে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ করুন। ধন্যবাদ।