▶ পুরো গাইড একসাথেনির্দিষ্ট কাজ খুঁজতে নিচের তালিকা দেখুন
প্রতিদিনের কাজের ধারা
- নতুন অর্ডার খুলে কুরিয়ারে ক্রেতার আগের রেকর্ড দেখুন, কল করে কনফার্ম করুন
- QR-এ টাকা দেওয়া অর্ডারে TrxID মিলিয়ে "পেমেন্ট মিলেছে" চাপুন
- কনফার্ম করা অর্ডার টিক দিয়ে Steadfast বা Pathao-তে পাঠান
- সেগুলোই টিক দিয়ে "লেবেল প্রিন্ট" — কেটে প্যাকেটে লাগান
- ডেলিভারি আর ফেরত নিজে থেকে অর্ডারে বসে যায়
১. লগইন ও দুই ধাপের নিরাপত্তা
অ্যাডমিন প্যানেলে ঢোকা · ২৭ সেকেন্ড
- ব্রাউজারে আপনার সাইটের ঠিকানার পরে স্ল্যাশ ম্যানেজ লিখে খুলুন।
- ইমেইল আর পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন চাপুন।
- এরপর ফোনের গুগল অথেনটিকেটর অ্যাপে যে ছয় সংখ্যার কোড দেখায়, সেটা দিন।
- প্রথমবার একটা কিউআর কোড আসবে। অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে নেবেন, আর রিকভারি কোডগুলো লিখে রাখবেন।
- পাসওয়ার্ড বদলাতে, উপরে ডান দিকে নিজের নামে চাপুন, তারপর প্রোফাইল।
২. ড্যাশবোর্ড
এক নজরে দোকান · ৩৩ সেকেন্ড
- উপরে শর্টকাট: অর্ডার, নতুন প্রোডাক্ট, আর সাইট দেখা।
- এখানে আজকের অর্ডার, কয়টা কনফার্ম, কয়টা বাতিল।
- পাশে আজকের আর এই মাসের বিক্রি।
- তারপর এই মাসের লাভ। প্রোডাক্টে কেনা দাম বসালে লাভের হিসাব ঠিক আসে।
- কনফার্মের অপেক্ষায় থাকা অর্ডার, এগুলোতে আগে কল করবেন।
- কুরিয়ারে কয়টা আছে, কয়টা ডেলিভারি হলো, কয়টা ফেরত এলো।
- ঝুঁকিপূর্ণ অর্ডার, আর যেসব প্রোডাক্টের স্টক কমে গেছে।
- গ্রাফে গত তিরিশ দিনের বিক্রি আর লাভ। নিচে সর্বশেষ অর্ডার।
৩. অর্ডারের তালিকা
খোঁজা, ছাঁকা, ট্যাব · ৫৬ সেকেন্ড
- বাঁ দিকের মেনুতে সোল্ড, তারপর অর্ডার্স। নতুন অর্ডার সবার উপরে থাকে।
- উপরের ট্যাবগুলো দিয়ে আলাদা করে দেখুন: সব, নতুন, কনফার্মড, প্রসেসিং, শিপড, ডেলিভার্ড, ক্যানসেলড, রিটার্নড।
- প্রতিটা ট্যাবের পাশে সংখ্যা লেখা থাকে, কয়টা অর্ডার আছে।
- সার্চ বক্সে নাম, ফোন নম্বর বা অর্ডার নম্বর লিখে খুঁজুন।
- ফিল্টার বাটনে চাপলে তারিখ বেছে নিতে পারবেন: আজ, গতকাল, গত সাত দিন, এই মাস।
- অর্ডার কোথা থেকে এসেছে, সাইট নাকি ল্যান্ডিং পেজ, সেটা দিয়েও ছাঁকা যায়।
- শুধু ঝুঁকিপূর্ণ অর্ডার দেখতে চাইলে ঝুঁকিপূর্ণ ফিল্টার চালু করুন।
- তালিকায় প্রতিটা অর্ডারের ক্রেতা, জেলা, কয়টা প্রোডাক্ট, মোট টাকা আর ঝুঁকির রং দেখায়।
- সারির শেষে তিন ডটে চাপলে কল, হোয়াটসঅ্যাপ, আর ব্ল্যাকলিস্ট।
- ব্ল্যাকলিস্ট করলে ওই নম্বর থেকে আর অর্ডার আসবে না।
- মুছে ফেলা অর্ডার ট্র্যাশ ট্যাবে থাকে, চাইলে ফিরিয়ে আনা যায়।
৪. অর্ডারের ভেতরে
ক্রেতা, কুরিয়ার রেকর্ড, স্ট্যাটাস · ৬২ সেকেন্ড
- অর্ডারে চাপলে পুরো তথ্য খোলে। বাঁ পাশে ক্রেতার নাম, ফোন, জেলা আর পুরো ঠিকানা।
- পাশে কী কী প্রোডাক্ট, কয়টা, আর দাম।
- নিচে হিসাব: সাবটোটাল, ডেলিভারি চার্জ, কুপন ছাড়, মোট টাকা, আর পেমেন্ট কীভাবে।
- এই বাক্সে কুরিয়ারে ক্রেতার আগের রেকর্ড। স্টেডফাস্ট আর পাঠাও থেকে নিজে নিজেই আসে।
- সবুজ মানে ভালো ক্রেতা, হলুদ মানে সাবধানে, লাল মানে ঝুঁকিপূর্ণ, আর নতুন মানে আগে কোনো পার্সেল নেই।
- রেকর্ড আবার দেখুন চাপলে কুরিয়ার থেকে নতুন করে তথ্য আনে।
- ঝুঁকি যাচাই অংশে দেখায় অর্ডারটা সন্দেহজনক কিনা, যেমন খুব দ্রুত ফর্ম পূরণ, বা একই নম্বরে বারবার অর্ডার।
- উপরে কল করুন আর হোয়াটসঅ্যাপ, এক চাপেই ক্রেতার সাথে কথা।
- তথ্য ঠিক করুন বাটনে ক্রেতার ভুল নাম, ফোন বা ঠিকানা ঠিক করা যায়, আর নিজেদের জন্য নোটও রাখা যায়।
- স্ট্যাটাস বদলান বাটনে নতুন অবস্থা বেছে সাবমিট চাপুন। কনফার্ম করলে ক্রেতার ফোনে নিজে থেকেই এসএমএস চলে যায়।
- প্রিন্ট ইনভয়েস চাপলে ইনভয়েস খোলে, প্রিন্ট বা পিডিএফ করা যায়।
৫. একসাথে অনেক অর্ডার
কনফার্ম, বাতিল, এক্সপোর্ট · ৩০ সেকেন্ড
- তালিকায় বাঁ পাশের চেকবক্সে টিক দিয়ে অর্ডার বাছুন। একদম উপরের বক্সে টিক দিলে পাতার সব অর্ডার বাছাই হয়।
- তারপর বাল্ক অ্যাকশনস বাটন।
- কনফার্ম চাপলে বাছাই করা সব অর্ডার একসাথে কনফার্ম হয়।
- বাতিল করুন চাপলে সবগুলো বাতিল।
- স্ট্যাটাস বদলান দিয়ে সবগুলোর অবস্থা একসাথে বদলানো যায়।
- এক্সপোর্ট সিএসভি বা এক্সপোর্ট এক্সেল চাপলে অর্ডারগুলোর একটা ফাইল নামে, হিসাব রাখার জন্য।
৬. কুরিয়ারে পাঠানো নতুন
Steadfast · Pathao · কুরিয়ার শিট · ৫০ সেকেন্ড
- একটা অর্ডার পাঠাতে, অর্ডারের পাতায় উপরে স্টেডফাস্টে পাঠান, বা পাঠাওতে পাঠান চাপুন।
- নিশ্চিত করলে অর্ডারটা কুরিয়ারে বুক হয়ে যায়, আর কুরিয়ারের নম্বর অর্ডারে বসে যায়।
- একসাথে অনেক অর্ডার পাঠাতে, তালিকায় টিক দিয়ে বাল্ক অ্যাকশনসে স্টেডফাস্টে পাঠান বা পাঠাওতে পাঠান।
- একবার পাঠানো অর্ডার আবার পাঠানো যায় না, তাই ভুল করে দুবার বুক হওয়ার ভয় নেই।
- কেউ যদি কুরিয়ারের পোর্টালে ফাইল আপলোড করে বুক করতে চান, তার জন্য আছে স্টেডফাস্ট এক্সেল।
- অর্ডার টিক দিয়ে স্টেডফাস্ট এক্সেল চাপলে কুরিয়ার শিট নামে, সরাসরি স্টেডফাস্টের পোর্টালে আপলোড করা যায়।
- বুক হওয়া অর্ডারে কুরিয়ারের নম্বরে চাপলে ট্র্যাকিং পাতা খোলে।
- প্রতি ঘণ্টায় সাইট নিজেই কুরিয়ার থেকে খবর আনে। ডেলিভারি হলে অর্ডার ডেলিভার্ড হয়, ফেরত এলে রিটার্নড।
৭. পার্সেলের লেবেল প্রিন্ট নতুন
সাধারণ A4 কাগজে, বারকোডসহ · ৩৬ সেকেন্ড
- কুরিয়ারে বুক হওয়া অর্ডারগুলো টিক দিন, তারপর বাল্ক অ্যাকশনসে লেবেল প্রিন্ট।
- একটা অর্ডারের লেবেল চাইলে অর্ডারের পাতার উপরে লেবেল প্রিন্ট বাটন।
- নতুন ট্যাবে লেবেলের পাতা খোলে। সাধারণ এ ফোর কাগজে এক পাতায় ছয়টা লেবেল।
- প্রতিটা লেবেলে কুরিয়ারের নাম, বড় করে কুরিয়ারের নম্বর আর বারকোড।
- কত টাকা তুলতে হবে, আগে টাকা দেওয়া থাকলে পরিশোধিত লেখা।
- ক্রেতার নাম, ফোন, ঠিকানা, আর প্যাকেটের ভেতরে কী আছে।
- প্রিন্ট করুন চাপুন, দাগ বরাবর কেটে প্যাকেটে লাগিয়ে দিন। রাইডার বারকোড স্ক্যান করে পার্সেল তুলে নেয়।
৮. QR পেমেন্ট ও অগ্রিম নতুন
bKash, Nagad, Rocket, ব্যাংক · ৪০ সেকেন্ড
- ক্রেতা চেকআউটে কিউআর স্ক্যান করে বিকাশ, নগদ, রকেট বা যেকোনো ব্যাংক অ্যাপ দিয়ে টাকা পাঠান, আর ট্রানজেকশন আইডি লিখে অর্ডার করেন।
- এমন অর্ডারের তালিকায় টাকার নিচে লেখা থাকে, কিউআর যাচাই বাকি।
- অর্ডার খুললে ট্রানজেকশন আইডি, কোন নম্বর থেকে পাঠিয়েছেন, আর কত টাকা, সব দেখা যায়।
- নিজের অ্যাপে মিলিয়ে দেখুন টাকাটা এসেছে কিনা।
- মিললে পেমেন্ট মিলেছে চাপুন। অর্ডার পরিশোধিত হয়, আর নিজে থেকে কনফার্ম হয়ে যায়।
- না মিললে মেলেনি চাপুন। অর্ডারটা ক্যাশ অন ডেলিভারি হয়ে যায়।
- কিছু টাকা অগ্রিম নেওয়া অর্ডারে দেখায় কত অগ্রিম এসেছে, আর কুরিয়ার বাকি কত টাকা তুলবে।
৯. ল্যান্ডিং পেজ নতুন
অফার পেজ বানানো থেকে অর্ডার — ১০ ধাপ · ১২৭ সেকেন্ড
- মেনুতে সোল্ড, তারপর ল্যান্ডিং পেজেস। এখানে সব পেজের তালিকা, কয়বার দেখা হয়েছে আর কয়টা অর্ডার এসেছে।
- উপরের ট্যাবে সব, ড্রাফট আর ট্র্যাশ।
- নতুন পেজ বানাতে নিউ ল্যান্ডিং পেজ চাপুন।
- প্রোডাক্টস ট্যাবে পেজের নাম আর ঠিকানা দিন, তারপর কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন তা বেছে নিন।
- অফার অংশে লিখুন, দুইটা নিলে কত টাকা, তিনটা নিলে কত। চাইলে ফ্রি ডেলিভারি চালু করুন।
- কুপনের ঘর দেখাবেন কিনা, সেটাও এখান থেকে।
- বিল্ড পেজ ট্যাবে পেজটা সাজান। ফিল ফ্রম প্রোডাক্টস চাপলে প্রোডাক্টের তথ্য দিয়ে দশটা ধাপ নিজে থেকে বসে যায়।
- এক, হেডলাইন। রঙিন বাক্সে বড় শিরোনাম।
- দুই, ছোট বর্ণনা। তিন, ছবির স্লাইডার, যেটা নিজে থেকে ঘোরে।
- চার, ফিচার ও সুবিধা, টিক চিহ্ন দেওয়া তালিকা। বাক্সের রং গোলাপি, কালো বা সাদা বেছে নেওয়া যায়।
- পাঁচ, সাব-হেডলাইন। ছয়, ভিডিও। ইউটিউব বা ফেসবুকের লিংক দিন, অথবা ভিডিও ফাইল আপলোড করুন।
- সাত, মাপ ও ম্যাটেরিয়াল, দরকার হলে। আট, কাস্টমার রিভিউ। রিভিউয়ের স্ক্রিনশট আর ভিডিও দুটোই দেওয়া যায়।
- নয়, দাম ও অফার, আর ডেলিভারি চার্জ, যেটা সেটিংস থেকে নিজে আসে। দশ, অর্ডার ফর্ম।
- এছাড়া আছে অফার ব্যানার, অর্ডার করতে চাই বাটন, আর কল করুন পট্টি।
- প্রতিটা অংশের নিচে টগল চালু করলে, ওই অংশের পরে অর্ডার করতে চাই বাটন বসে যায়।
- প্রতিটা অংশ টেনে উপর নিচে সাজানো যায়।
- প্রিভিউ ট্যাবে দেখে নিন পেজটা ক্রেতা কেমন দেখবেন।
- এসইও ট্যাবে গুগল আর ফেসবুকে শেয়ার করলে যে শিরোনাম আর লেখা দেখায়, সেটা।
- স্ট্যাটাস পাবলিশড করে সেভ চাপলে পেজ চালু হয়।
- তালিকা থেকে ডুপ্লিকেট চাপলে একই রকম আরেকটা পেজ তৈরি হয়, শুধু প্রোডাক্ট বদলে নিন।
- এক্সপোর্ট আর ইমপোর্ট দিয়ে পেজ ফাইলে রেখে পরে আবার আনা যায়।
- ক্রেতা পেজে ঢুকে নিচের ফর্মে নাম, ফোন আর ঠিকানা দিয়ে সরাসরি অর্ডার করেন।
- সেই অর্ডার অর্ডারের তালিকায় আসে, সোর্সে লেখা থাকে কোন ল্যান্ডিং পেজ থেকে।
১০. প্রোডাক্ট
দাম, স্টক, ছবি, রিভিউ · ৫০ সেকেন্ড
- ক্যাটালগ, তারপর প্রোডাক্টস। নতুন প্রোডাক্ট দিতে উপরে নিউ প্রোডাক্ট।
- পুরনো প্রোডাক্ট খুঁজতে সার্চে নাম লিখুন। তালিকা থেকেই সুইচ বন্ধ করে প্রোডাক্ট সাইট থেকে লুকানো যায়।
- প্রোডাক্টের পাতায় প্রথম ট্যাবে নাম, বিবরণ আর ছবি। প্রথম ছবিটা কভার হয়।
- প্রাইস অ্যান্ড স্টক ট্যাবে নিয়মিত দাম আর ছাড়ের দাম।
- কেনা দাম শুধু লাভের হিসাবের জন্য, ক্রেতা কখনো দেখেন না।
- কত দিন পর আবার লাগে, যেমন ডায়াপার তিরিশ দিন। ততদিন পর ক্রেতাকে নিজে থেকে মনে করিয়ে এসএমএস যায়।
- স্টক কত আছে, আর বেস্ট সেলিং চালু করলে হোমের বেস্ট সেলিং অংশে দেখায়।
- ক্যাটাগরি ট্যাবে প্রোডাক্টটা কোন ক্যাটাগরিতে থাকবে।
- রিভিউজ ট্যাবে অ্যাড আ রিভিউ চেপে নাম, স্টার, লেখা আর ছবি দেওয়া যায়।
- সব শেষে সেভ চেঞ্জেস চাপলেই সাইটে বদলে যায়।
১১. ক্যাটাগরি
মেনু সাজানো · ১৯ সেকেন্ড
- ক্যাটালগ, তারপর ক্যাটাগরিজ। এখানে যা বদলাবেন, মেনু আর হোম পেজ সেভাবেই সাজবে।
- এডিট চাপলে নাম বদলানো যায়।
- কোন ক্যাটাগরির ভেতরে থাকবে, সেটা বাছলে এটা সাব ক্যাটাগরি হয়ে যায়।
- অর্ডারের সংখ্যা দিয়ে ঠিক করুন মেনুতে কোনটা আগে বসবে।
- ছবি দিলে মেনু আর হোমের টাইলে সেই ছবি বসে।
১২. হোম পেজ, পপআপ, কুপন
সাইট সাজানো আর অফার · ৩৩ সেকেন্ড
- কনটেন্ট মেনুতে ফ্রন্ট পেজ ডিজাইন। এখানে উপরের চলমান লেখা, হিরো ভিডিও বা ব্যানার, আর হোমের অংশগুলো।
- বদলে উপরে সেভ চাপুন, তারপর ভিউ সাইট চেপে দেখে নিন।
- পপআপ অংশে সাইটে ঢুকলেই যে অফার আসে, তার লেখা, ছবি, বাটন, আর কত সেকেন্ড পরে আসবে।
- চালু বন্ধ করে দিলে পপআপ আর আসবে না।
- কুপনস অংশে নতুন কুপন বানান। কোড লিখুন, ছাড় টাকায় নাকি পার্সেন্টে, সর্বনিম্ন কত টাকার অর্ডার, আর শেষ তারিখ।
১৩. Affiliate প্রোগ্রাম নতুন
কমিশনে বিক্রি · ৩০ সেকেন্ড
- নিউ অ্যাফিলিয়েট চেপে নাম, ফোন আর কমিশন পার্সেন্ট দিন। কোড নিজেই তৈরি হয়।
- তালিকায় দেখায় লিংকে কয়টা ক্লিক, কয়টা অর্ডার, পাকা কমিশন, অপেক্ষায় থাকা কমিশন, আর কত পাওনা।
- প্যানেল লিংক চাপলে দুটো লিংক পাবেন: শেয়ার করার লিংক, আর তার নিজের হিসাবের পাতা। কপি করে তাকে পাঠান।
- অর্ডার ডেলিভারি হলে কমিশন পাকা হয়। টাকা দিয়ে দিলে পেমেন্ট দিন চাপুন, পাওনা থেকে কমে যায়।
১৪. বিক্রি ও লাভের রিপোর্ট নতুন
দিন আর প্রোডাক্ট অনুযায়ী · ২২ সেকেন্ড
- সোল্ড, তারপর সেলস রিপোর্ট। আজ, গত সাত দিন, এই মাস, অথবা নিজের পছন্দের তারিখ বেছে নিন।
- উপরে মোট অর্ডার, কয়টা প্রোডাক্ট বিক্রি, মোট বিক্রি, কেনা দাম আর লাভ।
- নিচে কোন প্রোডাক্ট কয়টা বিক্রি হলো, আর দিন অনুযায়ী হিসাব। বাতিল আর ফেরত অর্ডার এই হিসাবে ধরা হয় না।
১৫. সেটিংস, স্টাফ, অসম্পূর্ণ অর্ডার
ডেলিভারি চার্জ, চেকআউট, ইউজার · ৪২ সেকেন্ড
- সাইট সেটিংসের প্রথম ট্যাবে ঢাকার ভেতরে আর বাইরের ডেলিভারি চার্জ, আর কত টাকার উপরে ফ্রি ডেলিভারি।
- চেকআউট ফর্ম ট্যাবে অর্ডার ফর্মের লেখা আর কোন কোন ঘর দেখাবে।
- এখানে পেমেন্টের কিউআর ছবি আর নম্বর। ছবি সরিয়ে দিলে চেকআউট থেকে কিউআর অপশন সরে যায়।
- একটা কুপন বেছে দিলে প্রতিটা ইনভয়েসে পরের অর্ডারের ছাড়ের কোড লেখা আসে।
- ইউজার্স অংশে স্টাফ যোগ করুন। অ্যাডমিন সব দেখতে পারেন, অর্ডার ম্যানেজার শুধু অর্ডার।
- অ্যাবানডনড চেকআউটে আছেন যাঁরা ফোন নম্বর লিখেও অর্ডার শেষ করেননি। এঁদের কল দিলে অনেক অর্ডার ফিরে আসে।
- কিছু বুঝতে না পারলে স্ক্রিনশট দিয়ে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ করুন। ধন্যবাদ।